অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ – আবেদন করার সাথে সাথেই লোন পাবেন

অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ – আসসালামু আলাইকুম আশা করছি সকলে ভালো আছেন, আজকের বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ “অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ “অর্থাৎ যারা বাংলাদেশ থেকে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনের মাধ্যমে যেকোন বিপদ-আপদে সময় লোন নেওয়ার কথা চিন্তা করছেন তাদের জন্য আজকের এই পোস্টটি।

তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাদেরকে অনুরোধ করব কেউ পুরোপুরি পোস্টা না পড়ে না বুঝে কিন্তু এই পোষ্টের অর্ধেক পড়ে অর্ধেক কাজ দেখে নিজেকে পন্ডিত মনে করে কোথাও লোনের জন্য আবেদন করবেন না।

এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে আপনার হয়তো দুই মিনিট সময় লাগবে আর এই দুই মিনিট সময় আপনি অতিবাহিত করুন তাহলেই আপনি অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ  এই সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবেন।

অনলাইন মোবাইল লোন

বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় এই অনলাইন মোবাইল লোন “এই কিওয়ারটি দিয়ে বা এই বিষয়টি নিয়ে গুগলে যে কি পরিমাণ বর্তমানে সার্চ করে আপনি চিন্তাই করতে পারবেন না।এজন্য আপনাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সাজেশন করব যারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ নেওয়ার কথা ভাবছেন তারা অবশ্যই আমার নিচের এই ইনফরমেশন দেখে, বুঝে এবং এই নিয়ম অনুসরণ করে ,আপনি অনলাইন থেকে মোবাইলের মাধ্যমে লোন নিবেন।

বর্তমান সময়ে আমাদের হাতের কাছেই স্মার্ট মোবাইল ফোন থাকায় আমরা অনলাইনের মাধ্যমে কিন্তু বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছি। তারই ধারাবাহিকতায় কিছু ব্যাংক বা ফ্রিল্যান্সিং বা মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিগুলো অনলাইনের মাধ্যমে  সব ধরনের ডাটা নিয়ে লোন দিয়ে আসছে।

তাই আমরা হঠাৎ করে কোন ধরনের কোন বিপদে পড়লে ।আমরা কারোর কাছে টাকা ধার করার চাইতে, সহজ মনে করি অনলাইনের মাধ্যমে এই সকল প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার বা ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনলাইন থেকে লোন নিতে।

আবার অনেকেই ছোটখাটো বিজনেস শুরু করার ক্ষেত্রে কিছু টাকার প্রয়োজন হয় সেটি কিন্তু অনলাইনের মাধ্যম থেকে অনেকে আবেদন করে নেয়। এজন্য আপনিও পারবেন অনলাইন থেকে সঠিক কোম্পানির সঠিক মাধ্যম থেকে মোবাইলের মাধ্যমে  লোনের আবেদন করতে।

অনলাইন মোবাইল লোন অ্যাপস বাংলাদেশ

এখন আমি আপনাদেরকে কিছু অনলাইনে লোন পাওয়ার মত বাংলাদেশের যে সকল মোবাইল এপপ্স রয়েছে সেই সকল মোবাইল এপ্স এর এড্রেস এবং ডিটেলস দিয়ে দিব।

আপনি প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে  লিখুন” লোন অ্যাপস বাংলাদেশ” লিখে সার্চ করবেন। এরপরে আপনার সামনে বাংলাদেশের যতগুলো লোন এপপ্স বাংলাদেশ রয়েছে এই সকল অ্যাপস আপনার সামনে চলে আসবে। নিচের ছবির মত অনুসরণ করুন।

অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ

আপনি নিজেও চিন্তা করতে পারবেন না বর্তমানে বাংলাদেশে গুগল প্লে স্টোরে মোবাইল লোন পাওয়ার কত
হাজার হাজার এপ্লিকেশন গুগল প্লে স্টোরে রয়েছে।এজন্যই আপনাকে কিন্তু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

এই অ্যাপস গুলো ইন্সটল করে নেওয়ার পূর্বে অবশ্যই এপ্স গুলো ট্রাস্টেড কিনা বা তাদের ওয়েবসাইট রয়েছে কিনা এই সকল বিষয়গুলো আপনাকে চেক করে নিতে হবে।

এরপর আপনি দেখবেন যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাদের অফিসিয়াল সাইট বা তাদের হেল্প লাইন নাম্বার ।তাহলে
আপনি লোনের জন্য আবেদন করবেন। তা না হলে আপনি কিন্তু মহা বিপদে পড়বেন কারণ একটি লোন নেওয়ার জন্য আপনার অনেক ধরনের পেপারস অনলাইনের মাধ্যমে তাদেরকে দিতে হয়।যেমন- আপনার ছবি ,আপনার ভোটার আইডি কার্ড ,আপনার পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের ফোন নাম্বার আপনার নিজের ব্যক্তিগত নাম্বার থেকে শুরু করে অনেক কিছু তাই আপনাকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে।

এমনও অনেক সাইবার মামলা দেখেছি যে অনলাইন এর মাধ্যমে সে সকল ডকুমেন্টস দেওয়ার পর তার নামে একটি ব্যাংক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন নিয়েছে। কিন্তু যে ব্যক্তির নামে লোন নেয়া হয়েছে সেই ব্যক্তি একচুয়ালি জানেইনা।

এজন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে আবারও বলবো আপনারা বুঝে শুনে এছাড়া আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে কোন ধরনের কোন অ্যাপসের মাধ্যমে এপ্লিকেশন করে আপনার ব্যক্তিগত কোন ডাটা বা তথ্য দিবেননা।

আমি আবারো আপনাদের রিকোয়েস্ট করব অনলাইনের মাধ্যমে বুঝে শুনে বিশ্বস্ত আপ বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট বিশ্বস্ত কোম্পানী ছাড়া আপনারা অ্যাপ্লিকেশনে কোন ধরনের কোন ইনফরমেশন দিবেন না।

আমি যে অ্যাপসের মাধ্যমে লোন নিয়েছিলাম

এখন আমি আপনাদেরকে দেখাবো যে আমি অনলাইনের মাধ্যমে যে অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে লোন নিয়েছিলাম একেরও অধিক বার শুধুমাত্র টেস্ট পারপাস।

👉Rapid Cash এই এপ্লিকেশনের মাধ্যমে আমি অনেকবার লোন নিয়েছিলাম অনলাইন থেকে।

·      এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনি গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।

  •       ওদেরকে প্রথমে আপনার ভোটার আইডি কার্ড ,আপনার জব আইডি, আপনার ফোন নাম্বার, আপনার পরিবারের ফোন নাম্বার থেকে শুরু করে প্রয়োজনীও সকল  ডকুমেন্টস গুলও আপনাদেরকে অনলাইন স্ক্যান কপি জমা দিতে হবে।
  • ·    এরপরে লোন এপ্লিকেশন বা লোন আবেদন অপশন থেকে লোনের আবেদন করতে পারবেন।
  • তবে আমি কিন্তু এটি করেছিলাম আরো তিন থেকে চার মাস আগে। এবং তারা আমাকে ভালোই  ভালো পেমেন্ট
    দিত এবং লোনের অ্যামাউন্ট ও আমি ভালো আকারে পরিশোধ করে দিতাম। কিন্তু প্রচুর পরিমাণ তারা সুদ ধরতো প্রতি সপ্তাহে।
  • ·   এক সপ্তাহর বেশি আপনার লোন এর পরিমাণ যতই হোক আপনি এর বেশি সময় পাবেন না।
  • ·    প্রথমে আপনাকে ৩০০০ এবং ৫ হাজার টাকা তারা লোন দিবে।
  •       ৩০০০ টাকা  লোন তার বিনিময়ে আপনাকে ৫০০ টাকা বেশি দিতে হবে সঙ্গে আপনাি সাত দিন মেয়াদ পাবেন।

তাই বলতেই পারি অনলাইন এই অ্যাপ্লিকেশন গুলোর ধান্দাবাজি আর আপনার ইনফরমেশন নিয়ে অন্য কোন ক্ষতি করা ছাড়া কোন কাজ নেই।তাই আপনারা ভুলেও এই কাজগুলো করবেন না বা কোন অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্য নিয়ে লোন আবেদন করবেন না।

তবে হ্যাঁ বিশ্বস্ত যদি প্রতিষ্ঠান থাকে বিশ্বস্ত ব্যাংক হয় বিশ্বস্ত মোবাইল এপ্লিকেশন হয় সেক্ষেত্রে আপনি লোন নিতে পারেন।

বিকাশ থেকে মোবাইল লোন

বিকাশ থেকে মোবাইল লোন এই বিকাশের কথা শুনলে আপনাদের ভিতরে কিন্তু একটা বিশ্বস্ততার জায়গা কাজ করবে। কারণ বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশ এখন সবচাইতে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে তারা। বিকাশ ব্রাক ব্যাংকের একটি বিশ্বস্ত ব্যাংকের প্রচেষ্টা।

তাই আপনি চাইলে বর্তমানে বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং অর্থাৎ বিকাশ এপস এর মাধ্যমে মোবাইল দিয়ে অনলাইনে লোন আবেদন করতে পারবেন।

👉গুগল নিউজে সবার আইটি বিডি সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

তো চলুন প্রথমে জেনে নিই কারা লোন পাবে? বিকাশ লোন পাওয়ার জন্য আমি উপযুক্ত কিনা?

  • খুবই সহজ এবং খুবই লাভ কম এবং প্রচুর পরিমাণে সিমা রেখা আছে এই লোনের।
  • মোবাইল থেকে লোন পাওয়ার সীমা রেখার মধ্যে সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং লোন।
  • হ্যাঁ আপনি যা শুনছেন সবকিছুই ঠিক বিকাশ অ্যাপসের মাধ্যমে আপনি মোবাইল দিয়ে লোন আবেদন করতে পারবেন।
  • এই লোন পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন বিকাশ ইউজার হতে হবে। অর্থাৎ আপনার ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে বিকাশে আপনার একটি একাউন্ট থাকতে হবে।
  • এছাড়াও সেই একাউন্টে প্রতিনিয়ত আপনার বিকাশের মাধ্যমে লেনদেন থাকতে হবে। অর্থাৎ বিকাশের যতগুলো লেনদেন সিস্টেম রয়েছে এই সবগুলো লেনদেন সিস্টেমে আপনার  লেনদেন থাকতে হবে।

সবচাইতে বড় কথা আপনার লেনদেনের উপরে দেখেই বিকাশ অটোমেটিকলি আপনার অ্যাপস এর মধ্যে এই লোন পাওয়ার সিস্টেমটি  ইলিজেবল বা এনেবল করে দিবে।

হ্যাঁ এখন দেখতে হবে বিকাশ অ্যাপসের মধ্যে আপনার একাউন্টের মধ্যে আপনি আসলেই বিকাশ থেকে লোন পাওয়ার জন্য এখন উপযোগী কিনা।

এটি দেখার জন্য প্রথমে আপনার বিকাশ একাউন্ট থাকলেও আপনার একটি  বিকাশ মোবাইল অ্যাপস এর সাহায্য নিতে হবে।অর্থাৎ শুধুমাত্র বিকাশ অ্যাপ ইউজার কারীগণএই সুযোগ-সুবিধা টি পেয়ে থাকবে।

অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ

 

·      প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে বিকাশ মোবাইল অ্যাপসটি  ইন্সটল করে নিন।এরপরে আপনার কাঙ্খিত অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিয়ে লগইন করে নিন। লোন আইকন বলে একটি লোন অপশন রয়েছে। নিচের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে
নিন তাহলে আপনার জন্য সহজ হবে।

·        এরপরে আপনি সেই লোন অপশনটির উপরে ক্লিক করুন।এখন আপনি যদি ইলিজিবল হয়ে থাকেন তাহলে তাদের লোনের ফরম ফিলাপের জন্য কিছু ইনফরমেশন চাইবে সেই ইনফর্মেশন দিয়ে আপনি আবেদন করে
ফেলবেন।

     দুই থেকে ৩৬ ঘন্টার মধ্যে আপনাকে সেই লোনের এমাউন্টে আপনাকে দিয়ে দেয়া হবে।এছাড়াও যাদের এ্যাপস এর মধ্যেই লোন অপশন ইলিজিবল নেই তাদেরকে নিচের এই ছবির মত এরকম স্ক্রিনশট দিয়ে দিলাম এরকম দেখাবে।অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ

·    তার কারণ উপরে আগেই বলেছি বিকাশ কিন্তু সবাইকে লোন দেয় না যাদের লেনদেন ভালো যারা সব সময় লেনদেন করে থাকে তাদেরকে শুধুমাত্র লোন দিয়ে থাকেন।

আশা করছি উপরের পোস্ট থেকে যারা মোবাইলে অনলাইন লোনের কথা ভাবছেন তারা পরিষ্কার বুঝে গিয়েছেন আপনার কি করা দরকার।

ধন্যবাদ সবাইকে এই ধরনের পোস্ট পেতে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকুন।

👉🙏লেখার মধ্যে ভাষা জনিত কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

✅আজ এ পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন 🤔

আপনার জন্য-

মোবাইল দিয়ে টিন সার্টিফিকেট তৈরি
(Tin Certificate) অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট তৈরি করার নিয়ম

আমাদের আরো সেবা সমূহ :-

↘️আমার ভিডিওগুলো পাবেন যে সকল মাধ্যমে 👇

➡️YouTube চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন –এখানে ক্লিক করুন

➡️Facebook পেজ ফলো করে রাখুন –এখানে ক্লিক করুন

➡️Instagram চ্যানেল ফলো করে রাখুন –এখানে ক্লিক করুন

➡️WhatsApp চ্যানেল ফলো করে রাখুন – এখানে ক্লিক করুন

➡️Telegram গ্রুপ ফলো করে রাখুন –এখানে ক্লিক করুন

➡️Treads চ্যানেল ফলো করে রাখুন –এখানে ক্লিক করুন

➡️TikTok চ্যানেল ফলো করে রাখুন-এখানে ক্লিক করুন

1 thought on “অনলাইন মোবাইল লোন বাংলাদেশ – আবেদন করার সাথে সাথেই লোন পাবেন”

Leave a Comment