নতুন নিয়মে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড ২০২৪| NID Card Download

নতুন ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো পর্যন্ত অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন নাই?  আজকের এই পোস্টটি সম্পন্ন তাদের জন্য।আজকের এই পোষ্টের নিয়ম অনুসরণ করে খুব সহজে হাতে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটারের ডিভাইস দিয়ে Nid card download করতে পারবেন।

এছাড়াও আজকের পোস্ট থেকে, সংশোধনি এনআইডি অনলাইন ভোটার আইডি কার্ড আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন।অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার যত প্রকারের সিস্টেম রয়েছে প্রত্যেকটি সিস্টেম আমি হাতে-কলমে আপনাদেরকে দেখিয়ে দিব।

ইনশাল্লাহ এরপর থেকে ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে আর অন্য কোন ইউটিউবের ভিডিও বা অন্য কোন মাধ্যম বা অন্য কোন লেখা পড়ার বা বোঝার বা জানার প্রয়োজন পড়বে না। তো চলুন জেনে নিই ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম-

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে কি কি প্রয়োজন হবে?

Nid card download করতে আপনাকে কিছু ডকুমেন্টস আপনার প্রয়োজন হবে যা আগে থেকেই রেডি রাখতে হবে।

১.আপনি ভোটার হওয়ার সময় যে স্লিপ আপনাকে দিয়েছে সেই স্লিপ একটি নাম্বার রয়েছে সেই স্লিপ নাম্বার প্রয়োজন হবে।

২. আপনি নিবন্ধিত হবার সময় যে জন্ম তারিখ দিয়েছেন সেই সঠিক জন্ম তারিখ দরকার হবে।

৩.এরপরে অনলাইনে কয়েকটি প্রক্রিয়া আপনাকে অনুসরণ করতে হবে। যেমন -রেজিস্ট্রেশন, ফেস ভেরিফিকেশন এবং ডাউনলোড। রেজিস্ট্রেশন এবং ফেইস ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি সব ভোটারদের জন্য প্রযোজ্য। তবে যারা পুরাতন ভোটার রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড রিইসু আবেদন করতে হবে। একাউন্টটি নিবন্ধন করতে হবে নির্বাচন কমিশন অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে www.service.nidw.gov.bd ।

৪.ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে দুটি ডিভাইস প্রয়োজন হবে। প্রথম ডিভাইস থেকে আপনি nidw অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে হবে এবং দ্বিতীয় ডিভাইস থেকে ফেইস ভেরিফিকেশন করতে হবে (অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল) ।

৫.প্রত্যেকটি ডিভাইসে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। এবং প্রথমে আপনি রেজিস্ট্রেশন করার সময় আপনাকে বাধ্যতামূলক ফেইস ভেরিফিকেশন করতে হবে। পরবর্তীতে আপনি সেই আইডি থেকে ভেরিফিকেশন ছাড়াই ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

৬.আপনাকে একটি সচল মোবাইল নাম্বার অথবা ভোটার আইডি নিবন্ধনের সময় যে মোবাইল নাম্বারটি ব্যবহার করেছেন তা প্রয়োজন হবে।

৭.বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা প্রয়োজন হবে।

উপরের এই সকল সব কিছু রেডি থাকলে নিচের দেখানো নিয়ম অনুসরণ করে খুব সহজেই আপনি ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম | How to download nid online

অনলাইন থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার নিয়ম খুবই সহজ তবে শুধুমাত্র সঠিক নিয়ম জানা থাকতে হবে। আপনি যদি ভুলক্রমে আপনার ভোটার আইডি কার্ড নষ্ট করেন অথবা হারিয়ে ফেলেন সে ক্ষেত্রে আপনি এই দেখানো নিয়ম অনুসরণ করে অনলাইন কপি ভোটার আইডি কার্ড আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি যদি নতুন ভোটা নিবন্ধন করে থাকেন শুধুমাত্র স্লিপ ব্যবহার করেও আপনি অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

ধাপ-০১– অনলাইন থেকে আপনি ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার জন্য প্রথমেই নির্বাচন কমিশনের এই ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করবেন –https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/

নিচে দেওয়া ছবির সঙ্গে মিলিয়ে নিন।ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-২- এখন আপনাকে এই ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আপনি “রেজিস্টার একাউন্ট” এই বাটনে ক্লিক করুন। নিচে দেওয়া ছবির মত এরকম ইন্টারফেস চলে আসবে। এখানে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার এবং জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী জন্ম তারিখ বসিয়ে দিন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

আর যদি জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার না জানা থাকে বা নতুন নিবন্ধন হয়েছে । এখন পর্যন্ত আইডি কার্ড হাতে পাননি?তাহলে নিবন্ধনের সময় দেওয়া স্লিপ নাম্বারটি প্রদান করুন। ভোটার আইডি স্লিপ নাম্বার দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে ৮ থেকে ৯ সংখ্যার ভোটার স্লিপের পূর্বে NIDFN যোগ করে দিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ আপনার ভোটার স্লিপ নাম্বার যদি হয় 123456789, তাহলে আপনাকে টাইপ করতে হবে NIDFN123456789 এবং ভোটার স্লিপে দেওয়া জন্ম তারিখ অনুযায়ী জন্ম তারিখ বসিয়ে দিন।

👉গুগল নিউজে সবার আইটি বিডি সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন

উপরের এই সকল নিয়ম সঠিকভাবে পূরণ করে নিচে থাকা ক্যাপচা কোড পূরণ করে “সাবমিট” অপশনটির উপরে ক্লিক করুন। তাহলে আপনার এখানে নতুন একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে।

আর যদি আপনার আগে থেকেই বা পূর্বে থেকে একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করা থাকে তাহলে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার অথবা ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নিবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-৩- পরবর্তী ধাপে আপনাকে ঠিকানা প্রদান করতে হবে অর্থাৎ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন এর তথ্যগুলো প্রদান করার পরে আপনার বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা প্রদান করতে হবে। একদম আপনার ভোটার আইডি কার্ডে যে স্থায়ী এবং বর্তমান ঠিকানা রয়েছে সেই স্থায়ী এবং বর্তমান ঠিকানা সেভাবে আপনি নিয়ম অনুসারে সম্পূর্ণ করুন এবং “পরবর্তী “বাটনে ক্লিক করুন। নিচে দেওয়া ছবির সঙ্গে অবশ্যই মিলিয়ে নিন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-৪- এই ধাপে আপনাকে মোবাইল ভেরিফিকেশন করতে হবে অর্থাৎ আপনি ভোটার আইডি কার্ড তৈরি করার বা নিবন্ধন করার সময় যে মোবাইল নাম্বারটি ব্যবহার করেছেন সেই মোবাইল নাম্বারটিতে একটি ওটিপি কোড চলে যাবে। অনেকের ক্ষেত্রেই মোবাইল নাম্বারটি যদি না আসে সে ক্ষেত্রে নতুন একটি মোবাইল নাম্বার দেওয়ার বক্স আসবে সেখানে আপনি নতুন একটি সচল মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন। অবশ্যই নিচের ছবির সঙ্গে আপনি মিলিয়ে নিন সে ক্ষেত্রে আপনার সুবিধা হবে।

এছাড়াও যদি আপনার আগের দেওয়া মোবাইল নাম্বারটিতে কোন সচল না থাকে বা কোন সমস্যা থাকে সেক্ষেত্রে আপনি কিন্তু পাশে থাকা “মোবাইল পরিবর্তন” এই অপশনটি থেকে মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করতে পারবেন।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে “বার্তা পাঠান” এই অপশনটির উপরে জাস্ট ক্লিক করুন।

এরপরে আপনাকে একটু অপেক্ষা করতে হবে আপনার রেজিস্টার কৃত মোবাইল ফোন নাম্বারে একটি OTP কোড চলে যাবে ।সেই ওটিপি কোডটি এখানে বসিয়ে দিয়ে নিচের ছবির মত মিলিয়ে “বহাল” এই অপশনটির উপরে ক্লিক করে দিন।ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোডব্যাস আপনার কম্পিউটার ডিভাইস থেকে কাজ শেষ।

ধাপ-৫- এই ধাপে আপনাকে এখন মোবাইল এপ্লিকেশন এর সাহায্য নিতে হবে অর্থাৎ nid wallet এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে।

ডাউনলোড করা হয়ে গেলে এখন উপরে যে স্ক্রিনশটে QR কোডটি দেখানো হচ্ছে সেই QR কোডটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে স্ক্যান করে নিবেন । ছবি অনুসরণ করুন

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-৬ – এরপরে আপনাকে ফেইস ভেরিফিকেশন করতে হবে। আপনার যখন QR কোড স্ক্যান হয়ে যাবে তখন অটোমেটিকলি অ্যাপ্লিকেশনটিতে “start face scan” এই অপশনটি আপনার সামনে চলে আসবে সেখান থেকে আপনি ক্লিক করলেই অটোমেটিক্যালি ক্যামেরা ওপেন হয়ে যাবে।

তিনটি মাধ্যমে আপনাকে ফেইজ ভেরিফিকেশন করতে হবে।

প্রথমে আপনি সোজাসুজি করে আপনার মুখমণ্ডল রাখবেন।

দ্বিতীয়বার আপনি এক পাশে আপনার মুখমন্ডল রাখবেন।

তৃতীয়বার আপনি অন্য পাশে মুখমণ্ডল রাখবেন।

ক্যামেরার নিচের দিকে লক্ষ্য করলে সেখানে ইন্সট্রাকশন দেওয়া আছে সেটি আপনি ফলো করতে পারেন। এভাবে আপনি আপনার ফেইস ভেরিফিকেশন কমপ্লিট করে ফেলবেন। নিচের ছবি অনুসরণ করুন

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-৭ – এরপরে আপনি কম্পিউটারের যেখান থেকে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে কথা QR কোডের কথা বলা হয়েছিল সেখানে আপনি দেখতে পাবেন” সেট পাসওয়ার্ড “এই অপশনটি এখান থেকে “সেট পাসওয়ার্ড” এই অপশনটির উপরে জাস্ট ক্লিক করে দিবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-০৮-এখন নিচে দেওয়ায় ছবির মত তিনটি অপশন আসবে। ১) ইউজার নেম- আপনি আপনার ইউজার নেমটি এখানে ব্যবহার করবেন।

২) পাসওয়ার্ড -এখানে নতুন করে আপনি একটি স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন এবং পাসওয়ার্ডটি সংরক্ষণ করে রাখবেন।

৩) পুনরায় পাসওয়ার্ড লিখুন -এই অপশনটিতে আপনি উপরে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করেছেন সেম পাসওয়ার্ডটি এখানে ব্যবহার করবেন। এরপরে নিচে থাকা “আপডেট” অপশন থেকে বলে জাস্ট ক্লিক করে দিবেন।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সম্পূর্ণ প্রোফাইলটি এখানে দেখতে পাবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

ধাপ-০৮ – ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা সর্বশেষ ধাপ। এখন আপনি প্রোফাইলটি স্কোল করে নিচের দিকে আসলে “ডাউনলোড ” বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি ক্লিক করা আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন খুব সহজে।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

আশা করছি উপরের দেখানোর নিয়ম অনুসরণ করলে এবং আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি যদি অনলাইনে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে। তাহলে উপরের দেখানোই নিয়ম অনুসরণ করে খুব সহজেই আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন যেহেতু স্মার্ট কার্ড পাওয়া পুর্ব সময় পর্যন্ত কিংবা পরবর্তী সময়ও এই অনলাইন কপি প্রিন্ট করে আপনি সমস্ত কাজ করতে পারবেন।

এছাড়াও যারা এই নিয়মটিতে আপনারা সম্পূর্ণভাবে আপনাদের ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারেননি তারা নিচে দেওয়া ভিডিও লিংক থেকে ভিডিও দেখেও ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

আমরা যারা ভোটার আইডি কার্ড করেছি অনেকের কিন্তু ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ভুল থাকে। আর এই ভুলগুলোর কারণে বিভিন্ন রকম সরকারি কাজকর্মের ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্ত কর অবস্থায় পড়ে যাই।তাই আমরা কিন্তু সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে সংশোধিত করি আমাদের ভোটার আইডি কার্ডটি।

তো অনেকেই এই সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড পেতে অনেক সময় লেগে যায়। তাই আপনারা চাইলে অনলাইন এর মাধ্যমে সংশোধিত ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করেও আপনার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন।

সে ক্ষেত্রে অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড রিইস্যু আবেদন করতে হবে।

এরপর উপরের দেখানো হয়েছে নিয়ম অনুসরণ করে আপনি ভোটার আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর FAQ

অনলাইনে কি সবার ভোটার আইডি কার্ড আছে?

বর্তমানে ম্যাক্সিমাম ব্যক্তির ভোটার আইডি কার্ড অনলাইনে সংস্করণ করা হয়েছে।

কোথায় থেকে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা যাবে?

Nidw এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি ঘরে বসে খুব সহজে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপিটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

কোথায় থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যাবে?

আপনি আপনার যেই এলাকায় ভোটার আইডি হয়েছেন সেই এলাকার নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে ভোটার আইডি কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন।

আমি এখন বিদেশ চলে যাবো আমার ভোটার আইডি কার্ড কি সংগ্রহ করা যাবে?

আপনি অনলাইন থেকে যে কোন দেশ থেকেই আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

ভোটার নিবন্ধিত স্লিপ হারিয়ে গেলে করণীয় কি?

উপজেলা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আপনি আপনার নিবন্ধনকৃত স্লিপটি হারিয়ে গেলে সংগ্রহ করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার কারো ১৭ আবার কারো ১৩ কারণ কি?

২০০৮ সালের আগে যে সকল ভোটার আইডি কার্ড ছিল সেগুলি সব ১৩ সংখ্যা। ২০০৮ সালের পরে যে সকল ভোটার আইডি কার্ড তৈরি হচ্ছে সেই সকল ভোটার আইডি কার্ড ১৭ সংখ্যা।

হারানো ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে ডাউনলোড করব?

ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথম আপনি উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে যোগাযোগ করবেন। এছাড়াও আপনি অনলাইনের মাধ্যমে রিস্যু করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে ফি প্রদান করতে হবে।

আমার ভোটার আইডি কার্ডের ছবি অস্পষ্ট করণীয় কি?

ভোটার আইডি কার্ডের ছবিতে কোন সমস্যা থাকলে সরাসরি উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে আপনার ছবি পরিবর্তন করতে হবে।

NID Card নিয়ে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আপনি চাইলে বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের সকল ধরনের ভুল, হারিয়ে যাওয়া, রেজিস্ট্রেশন করা থেকে শুরু করে সব ধরনের কার্যক্রম করতে পারবেন।

  • অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন।
  • ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন।
  • স্মার্ট কার্ড স্ট্যাটাস চেক।

এই সকল বিষয় কিন্তু অনলাইনে আপনার হাতে থাকাই স্মার্ট মোবাইল ফোন অথবা কম্পিউটার ডিভাইস দিয়ে আপনি সবকিছু কার্যক্রম করতে পারবেন।

শেষ কথা – আশা করছি উপরের দেখানোর নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করলে খুব সহজে আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার ডিভাইজের মাধ্যমে ঘরে বসেই আপনার ভোটার আইডি কার্ডের স্লিপ নাম্বার অথবা ভোটার আইডি কার্ডের নাম্বার জন্ম তারিখে দিয়ে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড অনলাইন কপিটি ডাউনলোড করে সব ধরনের কার্যক্রম করতে পারবেন।

যদি আপনার এই পোস্টটিতে বিন্দু পরিমান উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই পোস্টতে কমেন্টস করে আমাদেরকে জানিয়ে দিবেন। তাতে করে আমরা আরো বেশি ইন্সপিয়ার হবো এবং আপনাদের জন্য এরকম তথ্যবহুল আরো পোস্ট নিয়ে আসবো ।যেখান থেকে আপনি আরো বেশি উপকৃত হবেন।

এছাড়াও ভোটার আইডি কার্ড সম্পর্কিত সব ধরনের সঠিক তথ্য পেতে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকুন।

আপনাদের জন্য আমি একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেছি যে ইউটিউব চ্যানেলে এই সম্পর্কিত সকল ভিডিওগুলি আপনারা পেয়ে যাবেন। আশা করছি সেই ইউটিউব চ্যানেল থেকেও তথ্যবহুল তথ্যগুলি পেয়ে আপনি উপকৃত হবেন।

আপনার জন্য আরো –

  • ইউটিউবে – ব্লগিং,ইউটিউবিং,ফেসবুকিং থেকে ইনকাম সম্পর্কিত ভিডিও পেতে–এখানে ভিজিট করুন
  • ফেসবুকে- ব্লগিং, ইউটিউবিং, ফেসবুকিং থেকে ইনকাম সম্পর্কিত সকল ভিডিও পেতে –এখানে ভিজিট করুন

2 thoughts on “নতুন নিয়মে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড ২০২৪| NID Card Download”

Leave a Comment